আজ ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

মুসলিমদের পিটিয়ে মারা হচ্ছে গোমাংস খাওয়ার ওজুহাতে,অথচ গোমাংসের রপ্তানি বাড়াল চীনে-মুদী সরকার।

আন্তর্জাতিক  নিউজ ওয়েবডেস্কঃ- এ যেন ভূতের মুখে রাম নাম! দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে জয়ী হয়েই; গো মাংসের রপ্তানি বাড়ানোর দিকে মন দিলেন নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বের সব থেকে বড় গোরুর মাংস আমদানীকারী দেশ; চিনের সঙ্গে এই নিয়ে চুক্তি করল ভারত।গত মে মাসে আবার ক্ষমতায় আসার পর; প্রথম মন্ত্রীপরিষদ সভায়; মোদী সরকার দেশের রপ্তানীকারী পশুদের পা ও মুখের বিশেষ রোগের চিকিৎসাও; সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য ১৩,৩৪৩ কোটি অনুমোদন করেন।পশুদের এই বিশেষ রোগ গোরুর মধ্যেই বেশি দেখা যায়। এই রোগের জন্য; চীন একসময় ভারত থেকে গোরুর মাংস আমদানী বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে; মোদী সরকারের উদ্দোগ্যে এই রোগ থেকে প্রায় মুক্ত ভারতীয় গোরু প্রজাতি। ফলে গো মাংস রপ্তানীয় বেড়েছে গেরুয়া সরকারের আমলে।কম দামে ভাল মাংসের সুবাদে সারা এশিয়াতে ভারতীয় গোরুর মাংসের চাহিদা শীর্ষে। বর্তমানে এই রোগের কারণে মাংস রপ্তানিতে পিছিয়ে পরেছে ইউরোপ। ভারতে বিদেশী মুদ্রা আমদানীর অন্যতম উপায় গোরুর মাংস রপ্তানী।পশুচিকিৎসকদের মতে; খুব শীঘ্রই তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশকে এই রোগ মুক্ত অঞ্চল বলে ঘোষনা করা হবে। যে সব দেশগুলিতে এই রোগের জন্য মাংস রপ্তানি বন্ধ ছিল সেখানে আবার রপ্তানি শুরু কপ্রা যেতে পারে বলে সূত্রের খবর।সারা পৃথিবীতে যে পরিমাণ গোরু রপ্তানি হয় তার শীর্ষে ভারত। সূত্র থেকে জানা যায়, গেরুয়া সরকারের আমলেই সবথেকে বেশি অনৈতিক ভাবে গোরু পাচার হয়েছে ভারত থেকে।অথচ, ভারতের অভ্যন্তরে সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি হয় এই ‘গো-মাতা’কে ঘিরে। গোমাংস থাকা, বিক্রি বা খাওয়ার সন্দেহে পিটিয়ে মারা হচ্ছে কিছু মৌলবাদী, উগ্রবাদী, কট্টরপন্থী গ্রুপের দ্বারা।বর্তমানে ভিয়েতনাম; ভারতবর্ষের গোরুর মাংস রপ্তানির বৃহত্তম বাজার। ২০১৮ সালের মধ্যে ১১ হাজার ১৪১৪ কোটি টাকার; গোরুর মাংস কিনেছে ভিয়েতনাম। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতে; যথাক্রমে ২৫৭৪ কোটি টাকা এবং ২২৭ কোটি টাকার রপ্তানি করে ভারত। এবার এই মাংস রপ্তানি আরও বাড়াবার সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: