আজ ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ঈদ-উল ফিতর ও ঈদ-উল আজহার আগে ছুটি কমিয়ে পরে ছুটি বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্বচেতন মহল।

জাহাঙ্গীর হোসেন: ক্ষুধা ও দারিদ্রতা মুক্ত, বেকার সমস্যার সমাধান, স্বাস্থ্য সেবাকে মানুষের দারগোড়ায় পৌছিানো, ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দেওয়াসহ সর্ব ক্ষেত্রে এ সরকার প্রশংসার দাবিদার এ কথা অশিকার করার কোন উপায় নেই। নিরক্ষতা দুরিকরণ করে শতভাগ শিক্ষিত জনগোষ্টি উপহার দিতে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিরামহীন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর এ সরকার প্রায় চার হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দিতে চলেছে। সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি দেওয়ার দায়িত্ব সরকার হাতে নিয়েছে। বছরের প্রথম দিনে, প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মুল্যে বই তুলে দিচ্ছে । দিচ্ছি উপবৃত্তি। শিক্ষকদের দ্বিগুন বেতন দেওয়াসহ সকল রকম সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে চার বারের সফল প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। শিক্ষা ক্ষেত্রে এত অবাধ সুযোগ সুবিধা থাকা শর্তে ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায়, বছরের দুই ঈদের ছুটির পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনা মুলক ভাবে কম থাকে। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার কম থাকার কারণ জানতে চাইলে, শিক্ষকরা এ প্রতিবেদক জানান, বছরে নানা রকম উৎসব উপলক্ষ্যে সরকারি ভাবে যে ছুটি গুলো থাকে সে ছুটির পর স্কুল, কলেজ মাদ্রসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু ঈদ-উল ফিতর ও ঈদ-উল আজহার সময় সরকার নির্ধারিত ছুটি গুলো শেষ হয়ে গেলে ও প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার অনেক কম থাকে। কারণ এই ছুটি গুলো দুই ঈদের আগে বেশি থাকে এবং ঈদের পরে কম থাকে। ঈদের পরে সাধানত শিক্ষার্থীরা নিজে অথবা মা বাবার সঙ্গে ঘুরতে ভালো বাসে। বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতেও পছন্দ করে। বেড়ানোর জন্য যে সময়ের প্রয়োজন হয় তা ঈদের পরে সরকার নির্ধারিত যে ছুটি থাকে তা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই আমরা মনে করি ঈদ-উল ফিতর ও ঈদ-উল আজহার ছুটির পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার স্বাভাবিক রাখতে হলে ঈদের আগে ছুটি কমিয়ে ঈদের পরে ছুটি বেশি রাখলে স্কুল, কলেজ মাদ্রসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটির পরে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার স্বাথাবিক থাকত এবং তাদের পড়া লেখার ও কোন ক্ষতি হত না। কেননা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকলে পড়া-লেখা ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। এবং তাদের মধ্যে স্কুলে অনুপস্থিত থাকার একটা অভ্যাস গড়ে উঠে। এভাবে সে বা তারা একদিন শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়ে। নষ্ট হয়ে যায় একটা সুন্দর শিশুর উজ্জল ভবিষৎ। এ বিষয় অভিভাবক মহল জানান, দুই ঈদের আগের ছুটি কমিয়ে ঈদের পরে ছুটি একটু বেশি হলে আমরা আমাদের কমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার ইচ্ছে গুলো পুরণ করতে পারলে তারা আরও বেশি পড়া-লেখায় মনোনিবেশ করবে। তাই ঈদ-উল ফিতর ও ঈদ-উল আজহার আগের ছুটি কমিয়ে পরের ছুটি বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্বচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: