আজ ৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

পিরোজপুরের ভাবিকে (বৌদি) ধর্ষণের দায়ে দেবরের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

বাদল পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠববাড়িয়ায় আপন বিধবা ভাবিকে (বৌদি) ধর্ষণের দায়ে দেবরের যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং একই সাথে ১লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। মঙ্গরবার দুপুর ১টার দিকে পিরোজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মিজানুর রহমান এ আদেশ দেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামি বাবুল হালদার ওরফে কালা মঠবাড়িয়ার কবুতরখালীর মৃতঃ প্রমাংশু হালদারের পুত্র।
মামলার বিবারণে জানাযায়, কবুতরখালীর মৃতঃ প্রমাংশু হালদারের পুত্র লক্ষণ হালদার চার বছর পূর্র্বে মারা গেলে স্ত্রী সাগরিকা রাণী ৬ বছরের শিশু সন্তান নিয়ে শ^শুর বাড়িতে ঘরের একটি বারান্দায় বসবাস করে আসছিলেন। এর পর আপন ছোট দেবর বাবুল হালদার প্রায়ই কু-প্রস্তাব দিলেও রাজী না হওয়ায় প্রথম ঘটনার দিন ১৭ আগষ্ট ২০১০ মঙ্গলবার রাত ১২ টার দিকে বৌদির ঘরে ঢুকে মুখে গামছা ঢুকিয়ে দিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। বিষয়টি এ মামলার ২নং আসামি মেঝ দেবর রামচন্দ্র ও শ্বাশুড়িকে জানাইলে তারা ধর্ষকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেণ এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে বিধবা পুত্রবধূকে বিয়ে করার জন্য সিদ্ধান্ত দেন। বিয়েতে রাজী হয়ে ধর্ষক পুত্র বাবুল বিয়ের নামে কৌশলে প্রতারণা করে কালী মন্দিরে নিয়ে মালা বদল করে ০৮/০৩/২০১১ তারিখ পর্যন্ত একত্রে স্বামী-স্ত্রী হিসাবে বাড়িতে বসবাস করার নামে বিধবা বৌদিকে ব্যবহার করতে থাকলে সাগরিকা গর্ভবতী হয়ে পড়ে। এ দিকে ধর্ষক বাবুল অন্যত্র বিয়ে করে সাগরিকাকে স্ত্রী হিসাবে অস্বীকার করলে নির্যাতিতা এ নিয়ে সকলে জানিয়ে মিমাংশা করতে ব্যর্থ হয়ে গত ২৩/০৩/২০১১ তারিখ মঠবাড়িয়া থানায় ধর্ষণ মামলা করেণ। পরে পুলিশ তদন্ত শেয়ে ধর্ষক বাবুলের নামে চার্জসীট দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পাবালিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আঃ রাজ্জাক খান বাদশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: