আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

তদন্তের জালে এবার লিয়াকত শিকদার!

:: মিছিল ডেস্ক ::

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদারের ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে আইনপ্রইয়োগকারী সংস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ছাত্রলীগের সিন্ডিকেট বাণিজ্যের অন্যতম হোতা লিয়াকত শিকদার। ছাত্রলীগের গত কয়েকটি কমিটি গঠনের নেপথ্যে কলকাঠি নেড়েছেন এই সাবেক ছাত্রনেতা। দলীয় কোনো বড় পদে না থাকলেও ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ করতেন লিয়াকত শিকদার।

দায়িত্বশীল কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রলীগে যে বিপুল পরিমাণ অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে এবং ছাত্রলীগে শিবির এবং বিএনপির আধিপত্য তৈরি হয়েছে, এটা মূলত লিয়াকত শিকদারের সিন্ডিকেটের কারণেই হয়েছে।

প্রাথমিক অভিযোগে বলা হচ্ছে যে, লিয়াকত শিকদার কেন্দ্রীয় কমিটিতে তার নিজস্ব লোকজন ঢোকাতেন। এর বিনিময়ে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হতেন। তার সবুজ সংকেত ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে কোনো কমিটি হতো না। লিয়াকতের সরাসরি নির্দেশেই বিভিন্ন স্থানে কমিটি হতো। অবশ্য শুদ্ধি অভিযানের পর থেকেই লিয়াকত শিকদারকে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। তিনি দেশে আছেন নাকি বিদেশে চলে গেছেন সে সম্পর্কেও কোনো সঠিক তথ্য নেই। তবে আইনপ্র’য়োগকারী সংস্থা জানাচ্ছে, তদ’ন্তের শেষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এনামুল-রূপনের ২১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

ক্যাসিনোকাণ্ডে গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এনামুল হক এবং তার ভাই গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রূপন ভূঁইয়ার ২১ কোটি ৮৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁ’জ পেয়েছে দুর্নী’তি দমন কমিশন-দুদক। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এই দুজনের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। বুধবার ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দুটি দায়ের করা হবে বলে দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

এছাড়া, এনামুল হক ও রূপন ভূঁইয়াকে অবৈধ ব্যবসা ও সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেছেন ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম এবং হারুন অর রশিদ। তাই এ দুজনকেও মামলায় আসামি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।

উল্লেখ্য, ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর গেল ২৪শে সেপ্টেম্বর এনামুল ও রূপন ভূঁইয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। এরপর, অভিযান চালানো হয় হারুন অর রশিদের বাসায়। অভিযানে পাঁচ কোটি টাকা, চার কোটি টাকার স্বর্ণালংকার এবং ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করে র‌্যাব।

কিন্তু, অভিযান চালানোর এক মাস অতিবাহিত হলেও তাদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: