আজ ৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সাতক্ষীরা-ভোমরা রোডে বেপরোয়া ট্রাক চালকরা, বেকায়দায় কোমলমতি শিক্ষাথীরা!

জাহাঙ্গীর হোসেন:: সাতক্ষীরা টু ভোমরা রোডের ট্রাক চালকরা যেন দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তাদের মধ্যে সব সময় একটা হীন মনোভাব কাজ করছে কে কত দ্রুত গত্বব্যে পৌছাতে পারে। এ রোডে যে অন্য কিছু চলাচল করে তখন সে হুশ তাদের থাকেনা। তারা এমন বেপরোয়া ভাবে ট্রাক চালায় যেন মনে করে রাস্তাটা শুধু তাদের জন্য তৈরী করা হয়েছে। এ সময় তাদের গাডি বেগ থাকে সবনিন্ম ৮০ কিলোমিটার। যে গতিবেগ যে কোন মুহুর্তে বয়ে আনতে পারে মারাত্মক দুঘর্টনা। সাতক্ষীরা টু ভোমরা রোডে যে ট্রাক গুলো চলাচল করে তার চালকরা বেশির ভাগই অনাভিজ্ঞ হেলপার । অনুসন্ধানে দেখা যায়, ট্রাকের প্রকৃত চালকরা দীর্ঘ পথ গাড়ি চালিয়ে এসে একটু ক্লান্তি দুর করার জন্য হেলপারদের কাছে গাডির দিয়ে সাতক্ষীরা শহরে নেমে যায়। আর এই অনাভিজ্ঞ হেলপার গুলো গাডি নিয়ে ভোমরা স্থলবন্দর এসে মালামাল লোড দিয়ে পুনারায় সাতক্ষীরা শহর পর্যন্ত গাডি গুলো নিয়ে যায়। এই অনাভিজ্ঞ হেলপার দের দিয়ে গাডি চালোনার জন্য প্রায় এই রোডে মারাত্মক দুঘর্টনার কবলে পড়তে হচ্ছে স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থী , ছোট ছোট যানবাহন চালক যাত্রী ও সাধারণ পথচারীদের। দুঘর্টনার শিকার হয়ে কেউ বা সারা জীবনের মত পঙ্গুত্ব বরণ করছে, কেউ বা মৃত্যু কে বরণ করে নিয়ে অকালে চলে যাচ্ছে এই সুন্দর পৃথিবী থেকে। ট্রাক চালকদের এই বেপরোয়া গতি বেগে ট্রাক চালানোর কারণে সাতক্ষীরা টু ভোমরা রোডে এমন দৃশ্য প্রায় চোখে পড়ে। তাদের এই ট্রাক চালানো পাল্লা আর ওভার ট্রেকিং এর কারণে গত কয়েক দিন আগে সদরের মাহমুদপুর গ্রামের রিয়াজুলের সপ্তম শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে জোবায়ের দুঘর্টনার শিকার হয়ে মারা গেলেন। সাতক্ষীরা টু ভোমরা বিশেষ করে আলিপুর চেকপোস্ট টু ভোমরা এই ৯ কিলোমিটার রোডের গা ঘেষে গড়ে উঠেছে ছোট বড় সব মিলিয়ে ৯টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দুইটা বাজার। এ বাজারে প্রতি দিন শত শত লোক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আশা যাওয়া করে। এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও কয়েক হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। প্রতি দিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদেরকে ও এই রোডে চলতে হয়। ট্রাক চালকদের এই বেপরোয়া গতি বেগে গাড়ি চালানো এবং ওভার ট্রেকিং এর কারনে প্রতি নিয়ত ঘটে চলেছে মারাত্মক দুঘর্টনা আর একটা দুঘর্টনা । আর এই দুঘর্টনা কারো কারো জীবনে বয়ে নিয়ে এসেছে সারা জীবনের পঙ্গুত্ব এমন কি মৃত্যুর মত করুন পরিনতি। যে কারণে ছেলে মেয়েদেরকে স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় পাঠিয়ে বাবা মায়ের আর দু চিন্তার শেষ থাকে না এই ভেবে যে আমার সন্তান টা সুস্থ শরীর নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে তো; এই ভয়াবহতা দিন দিন যেন আরো ভয়ংকর রুপ নিচ্ছে। এখুনি এর লাগাম টেনে ধরার জন্য যথাযথ কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: