আজ ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সাতক্ষীরার অর্থপেডিক্স ডাঃ হাফিজুল্লাহর স্বাস্থ্যসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত


জামালউদ্দীন:: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অর্থপেডিক্স এর ডাক্তার হাফিজুল্লাহর স্বাস্থ্যসেবা অনন্য দৃষ্ঠান্ত রেখে চলেছে। সরকারী হাসপাতালের পাশাপাশি সাতক্ষীরা ট্রমা এন্ড অর্থপেডিক্স কেয়ার সেন্টার নামের একটি ক্লিনিকে কর্মরত থেকে প্রতিদিন হাড়, বাত ব্যাথা, হ্যান্ডস সার্জারী এবং মেরুদন্ড বিশেষজ্ঞ সার্জন হিসেবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। ইতিমধ্যেই তিনি সাতক্ষীরায় একটি উন্নতমানের হাসপাতাল গড়ে তোলার চিন্তা করেছেন। ডাঃ হাফিজউল্লাহর চিন্তা-চেতনা হাড় জোড়া, বাত ব্যাথা, ভাঙ্গা চোরা ও অর্থপেডিক্স বিষয়ে কোন রোগীকে যেন বিদেশের মাটিতে পা না দিতে হয়। তাছাড়া গরীব অসহায় রোগীদের জন্য রোগী কল্যান ফাউন্ডেশন গড়ে তুলে তার মাধ্যমে তাদের চিকিৎসা প্রদান করা হবে। প্রতিদিন হাসপাতাল সহ ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা সেবায় উন্নত মান ধরে রাখায় রোগীদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। ইতিমধ্যেই বিদেশের মাটি থেকে চিকিৎসা নিয়ে ভালো না হওয়ায় একাধিক রোগী হাফিজুল্লাহর চিকিৎসা গ্রহণে সুস্থ হয়ে এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। যার মধ্যে তৃষ্ণা নামের এক রোগী ভারতের বশিরহাট মহাকুমা হাসপাতালে চিকিৎসক ডাঃ পি. ভট্টাচার্যের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ না হওয়ায় ডাঃ হাফিজুল্লাহর চিকিৎসায় তিনি সুস্থ হয়েছেন। মঙ্গলবার হাফিজুল্লাহর হাসপাতালে চিকিৎসা রুমের সামনে একাধিক রোগীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। একইভাবে ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা নেয়া সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার গ্রামবাসী প্রভাষক আরিফুল ইসলাম মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তার কাঁধের হাড় ও বুকের পাজর ভেঙ্গে গেছে। বর্তমান হাফিজুল্লাহর চিকিৎসায় তিনি সুস্থ হয়ে হাটা চলা করছে। শুধু আরিফুল নয় একাধিক জটিল রোগী হাফিজুল্লাহর চিকিৎসায় সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। ডাক্তারের সঙ্গে একান্ত স্বাক্ষৎকারে জানা গেছে ১০ জানুয়ারী ১৯৮০ সারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ২০০৪ সালে এমবিবিএস পাশ করেন। ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসে চিকিৎসা সেবায় আত্মপ্রকাশ ঘটায়। তারপর থেকে সেবাই মানুষের শ্রেষ্ঠ ব্রত। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে চিকিৎসা সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, যত বড়ই কঠিন ও জটিল রোগ হোক না কেন আল্লাহ যদি সহায় থাকেন তিনি নিশ্চয়ই সুস্থ হবেন। গরীব অসহায় রোগীদের হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। তাদের জন্য বিনামূল্যে যতসামান্য অর্থে চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: