আজ ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনাঃ আশাশুনির যত্রতত্র চলছে অবৈধ ইটের পাঁজা পোড়ানোর কার্যক্রম

বি এম আলাউদ্দীন আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে অবৈধ ইটের পাঁজা পোড়ানোর কার্যক্রম। পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ অবৈধ ইটের পাঁজা পড়ানোর কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল। সরজমিনে, উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়়নের  কুঁন্দুড়িয়া ও দর্গাহপুর ইউনিয়নের খরিয়াটি গ্রামে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়াা গেছে। কুুঁন্দুড়িয়া গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মরিচ্চপ নদীর চরে ঘন বসতি এলাকার মধ্যে নির্মিত পাশাপাশি দুটি অবৈধ ইট পোড়ানোর পাঁজার মালিক বুধহাটা ইউনিয়নের ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ড মহিলা মেম্বার মমতাজ খাতুন। যেখানে চলছে পাঁজায় ইট সাজানোর কার্যক্রম । যেভাবে দ্রুততার শহিত কাজ এগিয়ে যাচ্ছে তাতে মনে হলো শুক্র অথবা শনিবার ছুটির দিনে সেখানে পড়ানো হবে পাশে ফেলে রাখা সহস্রাধিক মন কাঠ। এ বিষয়ে মহিলা মেম্বার মমতাজ খাতুুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলাা নিবার্হী কর্মকর্তা মহোদয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে আমার কথা হয়েছে। একই দিন দুপুরে খরিয়াটি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে বসতবাড়ির ভিটার উপর ঘনবসতি এলাকার মধ্যে খরিয়াটি গ্রামের মৃত ফাজলে রব্বে গাজীর ছেলে বারিক গাজী প্রশাসনের কড়া হুঁশিয়ারিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নির্দ্বিধায় চালিয়ে যাচ্ছে পরিবেশ ধ্বংসকারী অবৈধ ইটের পাঁজা পোড়ানোর কার্যক্রম। সেখানেও চলছে পাঁজায় ইট সাজানোর কার্যক্রমের তোড়জোড়। মমতাজ খাতুন ও বারির গাজীর কাছে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো বৈধ কাগজপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর দিতে পারেননি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলীফ রেজার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আপনারা আমাকে জানানোর পূর্বে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। আমি উপজেলা সরকারি কমিশনার (ভূূূমি)কে ফোনে জানিয়ে দিচ্ছি যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে যেসকল ব্যক্তিবর্গ আমাদেরকে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: