আজ ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

করোনা আতঙ্কের অন্ধকারে আশা জাগানিয়া মাহবুব আলম হীরা

স্টাডি: ০১: কাউকে যদি হাত, পা, চোখ ভালো ভাবে বেঁধে বন্ধ ঘরে বলা হলো ঘরে এখন একটা বিষধর গোখরা সাপ ছেড়ে দেয়া হয়েছে যেটা আপনাকে এখনই দংশন করবে। ৩-৪ মিনিট পরে দুইটি আলপিন দিয়ে এবার জোরে গুতা মারেন উনার পাঁয়ে। কাজ শেষ। দেখবেন উনি কিছুক্ষণ পর কাতরাতে কাতরাতে মারা যাবে। এর পর উনার ব্লাড নিয়ে টেস্ট করেন, উনার রক্তে দেখা যাবে অতি বিষের উপস্থিতি।

স্টাডি: ০২: টিভি বা ছিনেমা অভিনয় দেখে কাঁদেন নাই বা হাসেন নাই এমন লোক পৃথিবীতে খুব কম আছে। কেন ভাই আপনি তো জানেন পুরোটাই বানানো। তারপরও কেন কাঁদেন, হাসেন?
কেন এমনটা হয়? পুরোটাই আসলে মন আর মস্তিষ্কের খেলা। সত্যি বলতে আমাদের মস্তিস্ক কল্পনা আর বাস্তবতাকে একই ফ্রেমে দেখে।

স্টাডি: ০৩: এইবার মিডিয়ার মাধ্যমে পরিচিত কথিত করোনার দিকে তাকাই। আপনি সারা দিন করোনা আপডেট দেখতে থাকেন, শুনতে থাকেন। কয় দিন পর প্রথম প্রথম হালকা জ্বর জ্বর, কারো কারো একটু মাথা ব্যথা বা গলা ব্যথা প্রকাশ পাবে। মনের ভুল প্রোগ্রামিং আপনাকে বলতে থাকবে এসব করোনা উপসর্গ! তখনি মিডিয়ায় প্রতিদিন সনাক্ত আর মৃত্যুগুলো সারা দিন আপনার মাথায় ঘুরতে থাকবে।  আপনি খুঁজতে থাকবেন এটার ভ্যাকসিন বা ওষুধ আবিষ্কার হলো কি না! খুঁজে ফিরে চারপাশের পরিস্থিতি দেখে যখন আরো ভয় পাবেন, আপনার ইমুনো সিস্টেম দুর্বল হবে। আস্তে আস্তে মনে হবে করোনার সব লক্ষণ আপনার শরীরে মধ্যে প্রকাশ পাচ্ছে (উদহারণ: প্রতিদিন আমাদের জাতীয় ইমার্জেন্সি নাম্বারে ৯৯৯ অথবা ৩৩৩ হাজারো ফোন কল)। তখন মনের কল্পিত করোনা আপনার শরীলে বাস্তব করণাতে রূপান্তর হবে। এরপর করোনাতে মৃত্যু না, পূর্বের যেকোনো ছোট খাটো অসুখেই আপনাকে ঘায়েল করে ফেলবে এবং তাতেই ঘটবে আপনার মৃত্যু (উদহারণ বিভিন্ন মিডিয়া সেল: করোনাতে মৃত্যুবরণকারী প্রত্যেকেই আগে থেকেই কোনো না কোনো রোগে আক্রান্ত)। নিয়মিত করোনা আপডেটে জ্বর জ্বর না লাগলেও আপনি সাইকোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার এ ভুগবেন নিশ্চিত। মেজাজ খিটখিটে হবে। অল্পতেই মেজাজ হারাবেন। পরিবারে অশান্তি তৈরী করবেন। (তবে সেটা টিভি বা ফেসবুক না দেখে শুধু ঘরে বসে থাকলেও হতে পারে) আবার চলতে চলতে কর্ম ক্ষেত্রে হঠাৎ থেমে যাওয়া, ভবিৎষতের অনিয়শ্চতা থেকে মানসিক চাপ আপনাকে হতাশা, বিষন্নতা থেকে আত্মহত্যার দিকেও নিতে পারে।
মানুষের শরীরে ৭৫ % রোগ সাইকো সোমাটিক বা মনোদৈহিক। করোনা আতঙ্কে বিশ্বে সব ধরণের মানসিক অবসন্নতা, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস সহ অন্যান্য রোগের ঝুঁকি বাড়ছে ।

ইউরোপ ও আমেরিকার সঠিকটার দিকে তাকাই:
১) নরমাল ঋষঁ-তেই এসব দেশে প্রতি বছর ৩০-৩৫ হাজার মানুষ মারা যায়।
২) যারা ওখানে এখন মারা যাচ্ছে তাদের অধিকাংশই বৃদ্ধা। আশ্রমের অবহেলিত মানুষ অথবা প্রবাসী কর্মী।
৩) হেলথ ইন্সুরেন্স ছাড়া ওই সব দেশে চিকিসৎসা অনেকটা সোনার হরিণ। দুঃখের কথা তাদের অনেকেরই হেলথ ইন্সুরেন্স নাই। চাইলেই প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ওষধ বাইরের থেকে কিনতে পারে না। এন্টিবায়োটিক এর কথা বাদই দিলাম।
৪) চিকিৎসা খরচ অত্যান্ত ব্যয়বহুল। শুধু করোনা টেস্ট করতেই এক এক জনের খরচ হচ্ছে ৩৫০০ ডলার। যা সবাই পারছে না।
৫) ইউরোপ-আমেরিকার বিপরীতে আমরা সারাজীবন ধূলা-বালি, ভেজাল আর মানুষের ড্রপলেট আর কালো ধোঁয়ার মধ্যেই বড় হচ্ছি। সারাজীবন ঠান্ডা পানিতে গোছল করেছি। যদি মন থেকে না ভাঙ্গি, আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইউরোপ আমেরিকার চেয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো।

বিশ্বে অন্যান্য রোগের মৃত্যুর দিকে তাকাই: (তথ্য: ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন)
১) কোন ধরনের সমস্যা ছাড়া বিশ্বে স্বাভাবিক মৃত্যুর হার প্রতি বছর ৮ থেকে ১০ কোটি
২) টিকা থাকার পরেও পৃথিবীতে প্রতিবছর শুধু যক্ষাতে ১৪ লক্ষ মানুষ মারা যায়। আক্রান্তের কথা না হয় বাদ দিলাম।
৩) চিকিৎসা থাকার পরও হার্ট এটাক এ প্রতি বছর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
৪) বিভিন্ন ক্যান্সারে প্রতি বছর ১ কোটি মানুষ মারা যায়।
৫) রোড এক্সিডেন্ট ১২ থেকে ১৫ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
৬) শুধু ব্যাক্টেরিয়া আর ভাইরাস এর আক্রমণে প্রতি বছর ৬৫ থেকে ৭০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।

আন্তর্জাতিক পলিটিক্স:
১) তথাকথিত করোনা উৎপত্তি চীনের বেজিং, সাংহাইতে কোনো করোনা আক্রমণের খবর নাই এবং গার্মেন্টসের আমাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি ভিয়েতনামতে কোনো করোনা নাই। ( অতএব আমাদের গার্মেন্টস এর অর্ডারগুলো থাকবে তো?)
২) টিভি, সোশ্যাল মিডিয়াতে এখন করোনা হট কেক। করোনা আতঙ্ক দিয়ে আপনাকে বেশিক্ষণ টিভি সেটের সামনে রেখে তাদের মুনাফা বাড়াচ্ছে। জুকারবাগ আরো কোটিপতি হচ্ছে। আপনার আমার মানসিক শক্তি কমাচ্ছে।
৩) পুঁজিপতি বড় দেশে নিজের স্বার্থে যেকোনো ধরণের বিপর্যয় সৃস্টি তে এরা বিভিন্ন ইনভেস্ট করে, যেটা আমরা অনেকেই জানি না। এর মধ্যে অনেক ব্যবসায়ীরাও থাকেন। করোনা হতে পারে সেই রকমই একটা ইনভেস্ট। (বিঃদ্রঃ পুঁজিপতি ব্যবসায়ী আর যুদ্ধবাজ নেতাদের মাথায় কে মরলো কে বাচলো সেই হিসাব থাকে না)
৪) যদি বলি আমেরিকা এখন চাচ্ছে চীনের উপর ইরানের মতো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিতে…!! আর সেটার জন্য এটা পৃথিবীবাসীর সমর্থন আদায়ের একটা কৌশল বা আতঙ্ক আতঙ্ক খেলা…!! কি উত্তর দিবেন? ইরাক আর সেই এনথ্রাক্স ঠরৎঁং এর কথা কার কার মনে আছে ভাই?
আবার অন্যটাও হতে পারে- চীন একক পরাশক্তি হবার জন্য যদি মনে করে অস্ত্র দিয়ে ঘায়েলের চেয়ে বায়ো উইপন দিয়ে কাজ সারা, তাহলে বিশ্ব বাসীর কাছে কোনো প্রমান থাকবে না। কি বলবেন?
৫) ১০ বছর আগে সারা পৃথিবীতে আতঙ্ক ছড়িয়ে ছিল সোয়াইন ফ্লু-র। এটা প্রথম মেক্সিকোতে শনাক্ত হয়। রোগী যখন বাড়তে শুরু করল, মেক্সিকো সরকার তখন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় স্যাম্পল পাঠাল। সেখানকার বিজ্ঞানীরা সাথে সাথে ঘোষণা করলেন- এটা খুব এগ্রেসিভ ভাইরাস। এর নামকরণ করা হলো ঐ১ঘ১।
কিছুদিন পরই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্যানেল বিশেষজ্ঞরা বললেন যে, পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবে এবং কয়েক মিলিয়ন মানুষ মারা যাবে।

সারাপৃথিবী জুড়ে প্যানিক। স্কুল কলেজ বন্ধ, ফ্লাইট বন্ধ এবং কয়েক সপ্তাহে মেক্সিকোর আর্থিক ক্ষতি হলো সোয়া দুই বিলিয়ন ডলার।
একটু হাঁচি-কাশি দিলেই তাকে হাসপাতাল এবং হাসপাতালের যা ধারণ ক্ষমতা, তার চেয়ে ১০ গুণ বেশি রোগী ভর্তি হলো। প্রতি সিটের বিপরীতে ১০ জন করে।
ডব্লিউএইচও গাইডলাইন জারি করল-এটা মিডিয়া মারফত প্রচার করতে হবে এবং বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন কিনতে হবে।
ইংল্যান্ড সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা প্রফেসর এন্ডারসন বললেন যে, এই মহামারি থেকে বাঁচার একটাই উপায়-ট্যামিফ্লু পিল খাওয়া। না হলে লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে।
আতঙ্কিত হয়ে সব এন্টিফ্লু ওষুধ এবং ভ্যাকসিন অর্ডার করতে লাগল। ১০ বিলিয়ন ডলারের ওষুধ এবং ভ্যাকসিন বিক্রি হয়ে গেল।
পরে দেখা গেল ২০০৮ সালে ইনফ্লুয়েঞ্জাতে যত লোক মারা গেছে, ২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লুতে মারা গেছে তার চেয়েও কম লোক। এবং সোয়াইনফ্লুতে যারা মারা গেছে, তাদের অনেকেরই আগে থেকে ক্যান্সার ছিল, ফুসফুসের অসুখ ছিল, এইডস ছিল, মারাত্মক স্থূলতা ছিল, শ্বাসকষ্ট ছিল, অ্যাজমা ছিল।
পরে যখন ইউরোপিয়ান কাউন্সিল পুরো বিষয়টাকে তদন্তের নির্দেশ দিল যে ডঐঙ কেন এত আতঙ্ক ছড়ালো?
তখন দেখা গেল যে সবচেয়ে বেশি যে ওষুধ বিক্রি হয়েছে ট্যামিফ্লু, এর প্রস্তুতকারক যে সুইস কোম্পানি ‘হফম্যান লা রশ’ এই ওষুধ প্রস্তুতকারক এবং ওষুধের আবার মূল উপাদান প্রস্তুতকারক হচ্ছে গ্ল্যাক্সো স্মিথক্ল্যাইন।
দেখা গেল- হু বিশেষজ্ঞদের যে প্যানেল এটাকে মহামারি আকারে ঘোষণা করেছিল, তার একাধিক সদস্য হফম্যান লা রশ এবং জিএসকে- এই কোম্পানিতে কাজ করতেন।
এবং বৃটেন সরকারের যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ছিলেন, প্রতি বছর জিএসকে থেকে ১,১৬,০০০ হাজার পাউন্ড সম্মানী পেতেন।
মার্কিন সরকারের যে ইনফ্লুয়েঞ্জা ডিভিশনের প্রধান, ন্যান্সি কক্স, তিনি হফম্যান লা রশ এবং জিএসকে থেকে গবেষণা করার জন্যে নিয়মিত অনুদান পেতেন।
টিকা, ওষুধ বিক্রি শেষ। পৃথিবীতে সোয়াইন ফ্লু আতঙ্ক বলেও আর কোনো কিছু দ্বিতীয়বার আসে নাই।

যে আতঙ্ক ছড়ায় বেশি, লাভটাও তার বেশি:
ইউরোপ আমেরিকা ০ ডলার এ আরব বিশ্ব থেকে তেল নিয়ে যাচ্ছে। (কারণ তেল উত্তোলন বন্ধ রাখা যায় না…প্রতিদিনের উৎপাদিত এত তেল রাখবে কোথায়?) আর চীনে মাস্ক আর মেডিকেল ইকুইপমেন্ট বিক্রিতে ব্যস্ত। (এটা মাত্র ১টি উদাহরণশেয়ার মার্কেট সহ অন্যান গুলোর কথা নাই বললাম)। কার ফাঁদে থাকার জন্য লাফাচ্ছেন ভাই? করেনা নাকি পরিকল্পিত বিপর্যয়?  লগ ডাউন এ নিজেরাই আরো ডাউন হবো। (তবে সরকারের সিদ্ধান্তকে সন্মান করবো, আমরা সবাই মানবো।)

আমাদের প্রেক্ষাপট:
১) লগ ডাউন এ আমাদের দেশে প্রতি সপ্তাহে ১% মানুষ ক্রয় ক্ষমতা হারাচ্ছে। কত জনের কাছে মৌলিক চাহিদা পৌঁছাবেন? কতদিন?
২) যত লগ ডাউন বাড়বে ততো আমরা অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়বো। আমরা প্রত্যেকে ক্রয় ক্ষমতা হারাবো। তখন করোনা লাগবে না মানুষ এমনি না খেয়ে মারা যাবে। মানবিক বিপর্যয় সৃস্টি হবে।
৩) আসলেই কি আমরা লকডাউন মানি বা মানছি? প্রয়োজনে ঠিকই আমরা বাইরে যাচ্ছি, আড্ডা দিচ্ছি, চুরি করে দোকান খুলছি।
৪) মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়। পরিবারের সদস্যের মৃত্যুতে পরিবারের অন্যরা এগিয়ে না আসা শিখছি।
৫) আমাদের দেশে করনাতে আক্রান্ত প্রকৃত সুস্থতার হার বলছে না সরকার অথচ মিডিয়ায় স্বাভাবিক মৃত্যুও এখন করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু। দেশে এখন করোনা ছাড়া অন্য রোগ নাই। সুস্থতার সংখ্যা না বাড়ায় এতে করে সবার মানসিক প্রেসার বাড়ছে। মানসিক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
৬) শারীরিক দুরত্বকে সামাজিক দুরত্ব প্রচার করে ইউরোপ, আমেরিকার মতো আমাদের সামাজিক বন্ধনকে নষ্ট করতে শিখছি।

ফেসবুকে শেয়ার আর শুধু আমার হতাশা :
১) কিছু সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী লগ ডাউন বাড়ানো পক্ষে ফেইসবুক ক্যাম্পাইন করছেন। খুব ভালো। যারা অল্প আয়ের কর্মজীবী বা ব্যবসায়ী তাদের কথা চিন্তা করছেন ভাই? লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে করোনা নিয়ে যা পাচ্ছেন তাই শেয়ার করেছেন। ভাই আপনাদের উদ্দেশ্য কি? আপনারাতো তো বেতন পাবেন। মরলেও পাবেন। এভাবে একা একা বাঁচতে পারবেন?
২) প্রতিদিন করোনা আপডেট নেগেটিভ পোস্ট শেয়ার এর আড়ালে আপনি সতর্কতার বদলে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন। আপনিতো ভুলেই গেছেন আপনি সমাজে বিপর্যয় তৈরী করছেন। এটা কোন লেভেলের সতর্কতা ভাই? যা দেখলে মানুষ আতংকিত হয়? দরকার কি? টিভি মিডিয়াতে যা দেখাচ্ছে তাতেই তো মন ভরছে। আপনি ফেসবুকে আল্লাহর কালাম শেয়ার করেন। প্রয়োজনে এন্টারটেইনমেন্ট শেয়ার করেন।  
৩) অবুঝের মতো নিজেদের ধ্বংস নিজেরাই ডাকছি। সবাই ঘোর আতঙ্কের মধ্যে থেকে নিজেদের মৃত্যুর কল্পনা আঁকছি। এই কল্পনার মৃত্যুই হয়তো একদিন বাস্তবে রূপ নিতে পারে।
৪) কেউ কেউ ফেসবুকে তো শুধু করোনাতে মৃত্যু আর আক্রান্তের আপডেট দেয়, যেন সবাই বুজতে পারে এই রোগের কোনো সুস্থতা নাই।

সত্যি বাস্তবতা:
১) মৃত্যু যদি আপনার লেখা থাকে এটার জন্য করোনা ড্রপলেট এর দরকার নাই। মৃত্যু হবেই।
২) করোনা ভাইরাস যদি এতটাই শক্তিশালী হতো ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে লক্ষ মানুষের জমায়েতে এখন শুধু লাশ পড়ে থাকতো।
৩) যারা করোনা মৃত্যু মিছিলের কথা বলে, আল্লাহ পাক চাইলে মাত্র ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে যেকোনো জায়গাকে মৃত্যুপুরী বানাতে পারেন।
৪) যত কৌশলী হন না কেন গড় আয়ু অনুযায়ী এক দিনেরও বেশি আপনি বাঁচবেন না।  

(বিঃদ্রঃ  লেখাটি অন্য কোনো মতের বা রেফারেন্সের সাথে নাও মিলতে পারে। আতঙ্কের অন্ধকারে কিছু আশা বা মনোবল শেয়ার অল্প প্রয়াস বা উদ্দেশ্য মাত্র। ভুল কিছু লিখলে দয়া করে ক্ষমা করবেন- লেখক।)
লেখক; মাহবুব আলম হীরা একজন ব্যবসায়ী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: